A

A writing of Alapan Banerjee (part 2)

চিত্রে , ঐ বয়স্ক ঠাকুমাটির সাথে সাক্ষাৎ হয় , Diamond Harbour Police Station এ ... আমি বিস্মৃত হলাম ওনার জীবন কাহিনী শুনে , সত্যিই খুব দু:খের ... ওনার এক মাত্র ছেলে বয়স মাত্র 27 বছর ছিল ,10 দিন পরে বিয়ের কথা ছিল . এবং ওনার ছেলে সম্ভবত বাইরে উপার্জনের জন্য কারেন্ট শক্ রেখে মারা গিয়েছে ... উনি কেঁদে কেঁদে দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন , কিছু ওষুধের প্রয়োজন , ছেলের শ্রাদ্ধের জন্য কিছু অর্থ সংগ্রহ করছেন এবং আমি যে inspector এর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম শ্রদ্ধেয় রবীন্দ্রনাথ বাবুর সাথে , তিনি ও আমাদের গ্রুপে আছেন , সেই অফিসারের নামে যখনই ঐ ঠাকুমা সুখ্যাতি করলেন সত্যিই শুনে খুব ভালো লাগলো ...কারন পুলিশের ভালো কর্ম তো সত্যিই প্রশংসা যোগ্য ও প্রেরনা দেবে , আজ এ রকম অফিসাররা সত্যিই আমাদের কাছে গর্ব .. যাইহোক আমরা আমাদের সংস্থার তরফ থেকে ঐ ঠাকুমার পাশে থাকব , উনি ডায়মন্ডহারবার দেরিয়ার বাসিন্দা , এবং ওনার কাছে থেকে জানতে পারলাম আমার প্রিয় দাদা শ্রদ্ধেয় শ্রী শুভেন্দু বোস মহাশয় মধ্যাহ্নভোজের ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন , ঐখানের যিনি জনপ্রতিনিধি আছেন , আমাকে খুব স্নেহ করেন , আমি ওনাকে ও অনুরোধ জানাব .. পাশাপাশি আমরা আমাদের সংস্থার পক্ষ হইতে ওনার পাশে থাকব , বিশেষ করে প্রতি মাসে ওনাকে কিছু অর্থ পাঠাব , ও Treatment এর জন্য Full Co - operate করব ...
উক্ত ঠাকুমার নাম
মিতালী দাস বয়স 78
বাড়ী : দেরিয়া , হাই স্কুল সন্নিকট ...
ওনার মৃত পুত্রের নাম : দীপাঞ্জন দাস ...
যাই হোক এইভাবে আমরা চিরকাল মানুষের পাশে থেকে এক সুন্দর সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নেব .
©ArkaSamant