তিনি যার যার দেহে আত্মা রূপে আছে বাইরে তার দেখা কেউ কোনদিনও পায় নাই শুধু আবেগ মাত্র। নিজের মধ্যে চেতন করতে পারলেই নিজেই হরিরুপে জগতে প্রকাশ পাবে এবং সকলে মৃত্যু আনতে স্মরণ করবে।
ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে সামন্ততান্ত্রিক ব্রাক্ষ্মণ্যবাদী শোষনের বিরুদ্ধে ভূমীহীন কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মহান কর্মযজ্ঞের মধ্য দিয়ে মতুয়া মতাদর্শের উত্থান হয়েছিল। বাংলা ভাগ না হলে তা বিশাল জনগোষ্ঠীর এক আদর্শ জাতি গঠনের রুপ নিতে পারত। হরিচাঁদ গুরুচাঁদ হয়ে উঠতেন মহান সমাজ সংস্কারক থেকে মহান সমাজ বিপ্লবী।
কিন্তু ----------
আজ ইতিহাস এক নিষ্ঠুর চিত্র তুলে ধরেছে। ছিন্নমূল, ভিটেহারা এক বিশাল জনসমুদায় মাথার উপর থেকে রাষ্ট্রের ছাদ হারাবার, বে-নাগরিক হবার ভয়ঙ্কর বিপদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে।
এমন এক দুঃসময়ে যখন পরিস্থিতির দাবি হল হাতে হাত রেখে নাগরিকত্ব রক্ষার আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়া, ঠিক তখনই শুরু হয়েছে নিজেদের মধ্যে এক আত্মঘাতী সংঘাতের পরিবেশ। বললে বোধ হয় অন্যায় হবে না যে, সচেতন ও পরিকল্পনামাফিক সৃষ্টি করা হচ্ছে! রাম, হরি, বুদ্ধ ইত্যাদি শিবিরে নিজেদের বিভক্ত করে কে বড় তার অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে; চলছে এর মধ্য দিয়ে কায়েমী স্বার্থ পুরন তথা ভোট ব্যাংকের জঘন্য রাজনীতি।
আপনারা যাঁরা আমাদের সমাজের অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছেন তাঁদের উচিত এই ষড়যন্ত্র বানচালের সাথে সাথে নাগরিকত্ব রক্ষার আন্দোলনের কর্মসূচি হাতে নিয়ে দেশভাগের শিকার মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানানো।
©ArkaSamant
A