ঈশ্বর কে বিশ্বাস করতে গেলে যুক্তি লাগে না, যুক্তি খুঁজতে গেলে ঈশ্বর কে পাওয়া যায় না, ঈশ্বর কে শুধু অনুভব করা যায়, তাছাড়া মানুষ ঈশ্বর কে বিশ্বাস করা বা না করার কে? কম্পিউটার যদি মানুষ কে বিশ্বাস না করে তাতে কি মানুষের কিছু এসে যায় ? তেমনই মানুষ ঈশ্বর কে বিশ্বাস না করলে ঈশ্বরের কিছু এসে যায় না, বরং সে পাপের ফল মনুষকেই ভুগতে হয়, ঈশ্বর কে বিশ্বাস না করাই সব চেয়ে বড়ো পাপ, ঈশ্বর এক হয়েও ব্রহ্মান্ডে বিলীন আছেন, তিনি জীব জড় সব কিছুর মধ্যেই অবস্থান করেন, সদা সর্বদা তাঁর উপস্থিতি বর্তমান, তিনি বাস করেন প্রেম ও ক্ষমার মধ্যে, তুমি কাওকে ঘৃণা করলে ঈশ্বরও তোমায় দূরে সরিয়ে দেন, আবার তুমি অনুতপ্ত হলে কাছে টেনে নেন, সবাই কে ভালবাসলে ঈশ্বরও তোমায় ভালবাসেন, তাই ঈশ্বর কে বিশ্বাস কর, সবাই কে ভালবাসো ও ক্ষমা করতে শেখো, তাহলেই ঈশ্বরকে পাবে, অনুভব করতে পারবে এবং তাঁর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে । ঈশ্বর হলেন চেতনা, হৃদয় এবং অনুভূতি, তোমার পঞ্চইন্দ্রিয় দিয়ে ঈশ্বরকে ছু্ঁতে পারবে না, আর প্রেমই একমাত্র অনুভূতি, যা দিয়ে পৃথিবী বদলানো যায় । তাই জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর । রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, চৈতন্য, যীশুখৃষ্ট সবাই প্রেম ও ক্ষমা করতেই শিখিয়েছেন । জাতিভেদ ধর্মভেদ এর মধ্যে ঈশ্বর বাস করেন না, ঈশ্বরের বাস চেতনায়, অনুভূতিতে, হৃদয়ে ও ভালোবাসায় । তুমি যদি একটি নিকৃষ্ট প্রাণীকেও ঘৃণা করো, তবে তুমিই সবচেয়ে নিকৃষ্টতম, জেনো তোমাতে ঈশ্বর নাই, পাপ পূণ্য সবই তোমার হাতে, তাই আর পাপ কোরো না, এতদিন করে আসা পাপের জন্য অনুতপ্ত হও, তাতে তুমি নতুন জীবন পাবে, ঈশ্বরকে নিজেই আবিষ্কার করতে পারবে নিজের মধ্যে । ----------------------- ঋষি অভ্রতনু ।।।
©abhratanu
A