🕛||🙏
🌿🌺শ্রী শ্রী রাধাষ্টমী ব্রত মাহাত্ম্য:-
রাধা অষ্টমী হচ্ছে রাধারাণীর আবির্ভাব তিথি। বৈষ্ণব সমাজে এই অষ্টমী মহাসমারোহে উৎযাপিত হয়ে আসছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হ্লাদিনী শক্তির প্রতিরূপ স্বরূপা হচ্ছেন রাধাঠাকুরানী। রাধাষ্টমী ব্রত পালনের বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তি একবারের জন্যও যদি এ ব্রত পালন করেন তবে তার কোটি জন্মার্জিত ব্রহ্মহত্যাদি মহাপাপ সকলও তৎক্ষণাৎ নষ্ট হয়। শত সহস্র একাদশী ব্রত পালনে যে ফল লাভ হয়, রাধাষ্টমী পালনে তার শতাধিক ফল লাভ হয়। প্রপঞ্চ লীলায় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অন্তরঙ্গা স্বরূপশক্তি গোলোকেশ্বরী রাধারাণী ভাদ্র মাসে শুক্লা অষ্টমী তিথিতে অনুরাধা নক্ষত্রে সোমবারে মধ্যাহ্ন কালে ব্রজমণ্ডলে শ্রীগোকুলের অনতিদূরে রাভেল নামক গ্রামে শ্রীবৃষভানু রাজা ও কীর্তিদা মায়ের ভবনে সকলের হৃদয়ে আনন্দ দান করে আবির্ভূত হন। শ্রীরাধারাণীর প্রাননাথ স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ব্যতীত, এই রাধাষ্টমী তিথির সম্যক মাহাত্ম্য কেউই বর্ণনা করতে পারেনা।
রাধা শব্দের উৎপত্তি রাধ্ ধাতু থেকে নিস্পন্ন। রা+ধা = রাধা। রা শব্দে = ব্রহ্মাণ্ড ও ধা = শব্দে ধারণ করা বা আরাধনা করা। এখন এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের মূল আশ্রয়ের তত্ত্ব হলেন সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ পরমব্রহ্ম শ্রীকৃষ্ণ। সেই শ্রীকৃষ্ণকে সর্বদা যিনি ধারণ বা আরাধনা করে থাকেন তিনিই রাধা।
📚পুরাণে বর্ণিত রয়েছে যে, হেলায় বা অশ্রদ্ধায় যদি কোন পাপিষ্ঠ এ ব্রত পালন করে, তাহলেও তার বৈকুণ্ঠলোকে গতি হয়। পদ্মপুরাণের সর্গখন্ডের চল্লিশতম অধ্যায়ে এমনই এক কাহিনী বর্ণিত রয়েছে- পুরাকালে সত্যযুগে লীলাবতী নামে এক পতিতা বাস করত। একদিন নগর ভ্রমণকালে এক সুসজ্জিত মন্দিরে রাধাঠাকুরাণীর পূজা উদযাপন দেখতে পেয়ে ব্রতীদের কাছে গেলেন। সে তাদের জিজ্ঞেস করল- হে পূণ্যাত্মা সকল! তোমরা এত যত্ন সহকারে কোন ব্রত উদযাপন করছ? তদুত্তরে রাধাব্রতীগন বলতে লাগলেন-যেহেতু ভাদ্র মাসে সীতাষ্টমীতে শ্রীরাধিকা আবির্ভূত হয়েছিলেন, আমরা সেই রাধাষ্টমী ব্রত পালন করছি। এই অষ্টমী ব্রত গোঘাত জনিত পাপ, স্তেয়জ, ব্রহ্মহত্যা জনিত অথবা স্ত্রীহত্যা জনিত সকল পাপই নাশ করতে সক্ষম।
#রাধাষ্টমী
#iskcon
#হরেকৃষ্ণ
©ArkaSamant
A