L

সে কথা শোনেনা

মেয়েটা কে বলি, তুই ভালো লিখবিনা আর, এলোমেলো ছন্দ নিবি,
বানান ভুল ত রাখবি বেশি, কবিতা তুই কম দিবি।
সে আমার কথা শোনে না।
আমার সাথে জিদ করে লিখছে, রোজ রোজ লিখছে,
এতে আমার বড্ড ভয়, সে না বুজে এমন করছে।
সে কি জানছে, সে যত লিখছে, সবাই তার পিছু ধাইছে?
সে তা মানছে না।
আচ্চা বলুন ত, এক বাড়িতে সবাইকে কি কবি হতে হবে?
সে কলম নিয়ে নাড়াচাড়া করুক, বসে বসে চা বানাক,
চা বানাতে বানাতে, ছন্দ গুলো ভুলে যাক।
সে তা ধরছে না।
সে ভাবছে সে কবি হবে,
আমি ভাবছি সে আমার ছবি হবে।
ছবির ফ্রেম হবে, চোখের সামনে দাড়িয়ে রবে।
আমি তার চোঁখের জল দিয়ে কবিতা লিখব,
লিখে লিখে তাকে বলব, আমি কি পড়ব?
সে বলবে পড়,
আমি শোনাব তাকে মহাকালের কাব্য,
শোনাব তাকে আমার প্রেমগাথা।
তা নয়, সে কবি হবেই।
সে এমন পাগলাটে কি রবেই?
সে কি জানে আমার আশংকা অন্যখানে?
সে যদি কখনো কারো কবিতার খাতায় চলে যায়,?
সে খাতায় যদি নামটি মুছে না যায়?
সে যদি তখন আমায় বলে, আমি এখন ত কবি হয়েছি।
সে কি সেটা ভেবেছে, আমি কার চোঁখের জল দিয়ে লিখব তখন?
সে কি জানেনা, তার চোঁখ ছাড়া আমার কবিতা হয়না?
সে কি জানেনা, সে কবি হলে, আমায় মনে রাখবে না?
সে কি জানে না আমি তাকে হারাতে চাই না?
সে জানে সে কথা শোনেনা।
©latifur