ইংরেজ শাসনের পূর্বে বা সময় ভারত- পাকিস্তান ছিল অবিভক্ত।তখন উভয় দেশের মানুষ এক দেশ ভরতের হয়ে যুদ্ধ করেছিল ইংরেজদের দেশ থেকে বিতাড়িত করতে।তাদের নিজেদের উৎসর্গ করেছিল পুন্ন্যভূমি ভারতের জন্যে।সেটা ছিল আমদের ধর্ম যুদ্ধ।
কিন্তু আজ তারাই আবার নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করছে সেই ধর্মযুদ্ধ লব্ধ দেশের জন্ন্যে।এক দেশের চাই সম্পত্তি রক্ষা আর অন্ন্যের চাই সম্পত্তি হাসিল।
আর এইভবে যে কত মায়ের যে কোল খালি হচ্ছে,কত সতী যে তার সিতির সিদুর,আর কত সন্তান যে পিতৃহীন হচ্ছে তা অগণিত;আর ভেবে দেখলে গা শিউরে উঠে।
কিন্তু ফল সেই একই শুধু যুদ্ধ আর যুদ্ধ।প্রাণ আর প্রাণ।
আমরা বলছি এটা আমদের ধর্ম যুদ্ধ,আর তারা বলছে তাদের।এক দেশ আরেক দেশের পতাকাকে পদানত করছে।ছেলে খেলার মত।
একটা পাকা আম এক ভাই বলে আমি খাবো আরেক ভাই বলে আমি।শুধু মারামারি আর মারামারি।দুইয়ের মধ্যে কেও আপস করে বলে না যে;আয় ভাই দুজনে ভাগ করে খাই।আমদের অবস্থাটাও তেমন।
কিন্তু একবার সান্তনহীন মায়ের দিকে,স্বামীহীন সতীর দিকে কিংবা পিতৃহীন সন্তানের দিকে চাইলে,তাদের চীর বিরহময় জীবনের দিকে চাইলেই বুঝতে পরবে যে -কি তারা আমাদের 50 জন জবান এর প্রাণ নিয়েছে আমরা তাদের 100 জনের নেব,নাকি এই চিরস্থায়ী শত্রুতা চীরতরে ধংস করার চেষ্টা করব।
যতদিন বদলার বদলে বদলা এই মানসিকতা উভয় দেশের মানুষের মধ্যে কাজ করবে ততদিন ভারত-পাক যুদ্ধ কখনো শেষ হবে না।
কাশ্মীর আমদের ও চাই আবার তাদের ও।তাহলে এমন কিছু করা যাতে উভয় দেশের মানুষই ভোগ করতে পারে।অর্থাৎ সেই একি দেশের মানুষ আবার এক হয়ে গেলেই সমস্ত সাম্প্রদায়িকতা এক নিমেষেই শেষ,আর এটাই এখন সকল মাতা চায়।
দেশের জন্ন্যে সবাই জান ই দিয়ে যাচ্ছে; জিন্দেগি কেও আর দিচ্ছে না।কাশ্মীর সীমান্তে প্রত্যহ কুটি কুটি টাকা শুধু প্রতিরক্ষার কাজেই ব্যয় হচ্ছে,আর সাধারন মানুষ না খেয়ে মরছে।
তাই আমদের সবাইকে একজোড় হয়ে বলতে হবে আমরা রক্ত চাইনা,যুদ্ধ চাইনা আমরা চাই শান্তি।
আর অত একমাত্র সমন্নয় এর মাধ্যমে সম্ভব।
ন চি কে তা
©pappu
P