ক্লান্ত সন্ধ্যায়,ক্লান্ত শরীরে;
ক্লান্ত অনুভূতিরা নীরবে
দ্বন্দ্ব বাঁধায় ভুলের সহিত।
ম্যাগাজিন নিয়ে আসে পুরনো ইতিহাস,,
আর হেডফোন শোনায় হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
বা রবীন্দ্র সঙ্গীত।
অসহ্য অবাধ্য ব্যস্ততায়,
জানালায় দূরবিন ঠেকিয়ে যদি---
দূরের কোনো ফুটপাতে আটকে যায়;
তবে স্কেলেটন গুলো চেঁচিয়ে বলে--
অলীক সিভিলাইজেশনের মাঝে
জীবাশ্ম হয়েছে খাঁটি শরীর গুলো।
ঘর বন্দি প্রেমীকরা অবসরে মুক্ত হলেও,,,
সক্রিয় শহরের চত্ত্বরে পৌঁছে,
গন্তব্য হারিয়ে ফেলে অনাকাঙ্ক্ষিত গল্প গুলো।
নিঃশব্দ রোদনে আঁধার কাটায়,
ওভার ব্রিজের অধোদেশে অধিষ্ঠিত
ক্ষুদ্র দেহ গুলো।
হুম! মিছিল হয় বটেই!!
প্রতিবাদও হয়--
বার্তা প্রেরকও ভিড় করে,
কবির কলমও চলে,,,
নিউসপেপারও যথাসাধ্য পুর্ণ হয়,
তবে কেনো এই কোলাহল?
কেনো এই নির্দয় আর্তি?
কেনো এই আইডেন্টিটিলেস মৃতদেহ?
শহরটা প্রহর ব্যয় করে অকৃপণ ব্যস্ততায়।
আর শত মানবের ডিভেট চলে অজস্র ব্যর্থতায়।।
-উর্মি সাহা
©urmisaha
U