মানুষ যেমন চায়,---
চলেও সে তেমনই,
আচার,ব্যবহার,বাক্যও তা'র
তেমনই হ'য়ে চলে,
ঐ চলন করায় উদ্ভিন্ন হ'য়ে
তা'কে তেমনতর অবস্থানের
উপযুক্ত ক'রে তোলে,
সে ভাগ্যের ভজনা করে অমনি ক'রে,
প্রাপ্তিও হয় তা'র তেমনই,
বস্তুতঃ করার ভিতর-দিয়েই
সে হওয়া ও পাওয়াকে আমন্ত্রণ করে,
এবং ঐ কর্ম্মই তা'র ভাগ্য-বিধাতা।
--শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
👉প্রশ্ন--অনেকের ভাগ্য ভাল থাকে,তারা বিশেষ কিছু না ক'রেও অনেক সুযোগ-সুবিধা পেয়ে যায়।
শ্রীশ্রীঠাকুর--ভাগ্য মানে ভজনফল বা কর্ম্মফল।ভাগ্য এসেছে ভজ-ধাতু থেকে।ভজ-ধাতু মানে ভক্তি, অনুরাগ, সেবা,আশ্রয়, প্রাপ্তি, বিভাগ, দান ইত্যাদি।অনেকের পূর্ব্বজন্মে অনেকখানি করা থাকে, যার ফল এ-জন্মে পায়।তাই মনে হয় কিছু না ক'রেও পেল।কিন্তু পেতে গেলেই করতে হয়।অবশ্য দাগাবাজি ক'রে পাওয়ার কথা,বলছি না।পূর্ব্বজন্মের সুকৃতির কথা যা' বললাম, ওর উপর নির্ভরশীল না হ'য়ে যা' পেতে গেলে যা করতে হয়, বর্ত্তমানকালে তা' বিধিমতো করার তালে থাকাই ভাল।ঐ করাই পাইয়ে দেয়।অদৃষ্টবাদী ও আলস্যপরায়ণ হ'লে মানুষ পদে-পদেই ঠ'কে যায়।যে যা' পায় তা' করেই পায়।আগের করা এগোন থাকলে কর্ম্মদক্ষতা, বুদ্ধি ও চরিত্র তদনুযায়ী বিকশিত হয়।তার বিহিত প্রয়োগে মানুষ এ-জন্মে অপেক্ষাকৃত কম চেষ্টায় কৃতকার্য্যতা লাভ করে।
(আঃপ্রঃ--৯/১৫৩)
যা করবে ব'লে সিদ্ধান্ত করেছ--
মত্ত আগ্রহ নিয়ে তা'কে ধর,
আঁটঘাট বেঁধে তা' কর,
নিষ্পন্নতায় কৃতি হও,
ব্যর্থ হ'য়ো না কিছুতেই,
ব্যর্থতা ব্যত্যয়েরই অনুচলন।
-----শ্রীশ্রীঠাকুর
©ArkaSamant
A