A

Sri Sri Thakur Anukulchandra (part 6)

#তিনি_আমাদের_প্রতি_মুহূর্তেই_শিখিয়ে_চলেন
————————————————————————
•পরমারাধ্যা জগজ্জননী শ্রীশ্রীবড়মা বলেছিলেন -"ঠাকুরকে উপলব্ধি করাই হ'ল, জীবনের চরম সাধনা।" এই প্রসঙ্গে একটি ঘটনা মনে পড়ছে।
একটি মেয়ে পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেবের কাছে গেছে নিজের পড়াশুনোর বিষয়ে নিবেদন করতে; আচার্য্যদেব নিবেদন শুনে বললেন - "খুব ভালো, এই শোন, তোর পড়ার সময় পড়াতে মন বসে তো, নাকি এদিক ওদিক থাকে?"
মেয়েটি বলছে-"আমি বুঝতে পারিনা সেটা!"
তিনি আবারও একই প্রশ্ন করলেন এবং সাথে বললেন -"তোর পড়ায় মন বসে কি বসে না সেটা তুই বুঝতে পারছিস না? "
মেয়েটি আবারও একই কথা বলে।
সবশেষে তিনি একটু গম্ভীর হয়ে বললেন -"তুই যদি নিজেকেই নিজে না বুঝিস, তবে ঠাকুরকে বুঝবি কিভাবে?"
ঠাকুরকে উপলব্ধি করার জন্য যে আগে নিজেকে জানা দরকার,বোঝা দরকার সেটা সেদিন জানলাম তাঁর থেকে।
••আমরা নানা সময়েই নানা কারণে রেগে যাই।এখন হয়তো অনেকে বলবেন দেখেন, মানুষ যখন হয়েছি রাগ তো থাকবেই। এই বিষয়ে আচার্য্যদেব খুব সুন্দর ভাবে বললেন।
একটি মা তার ছেলেকে নিয়ে এসেছে আচার্য্যদেবের কাছে নিবেদনের জন্য। মাটি বলছেন তার ছেলের খুব রাগ।
কথাটি শুনে আচার্য্যদেব সাথে সাথে বললেন -"ওর তো রাগ হবেই, ও তো বোকা। বোকা হলেই রাগ হয়। (দুই হাতে তালি দেওয়ার মতো করে) এই যে আমার একটা হাত আরেকটা হাতে যেই বাঁধাপ্রাপ্ত হল সাথে সাথে শব্দ হল,(এবার একটা হাত সরিয়ে নিয়ে) যেই হাতটা আর বাঁধাপ্রাপ্ত হলনা, শব্দও হলোনা। সুতরাং,আমাদের বুদ্ধি যখনই বাঁধাপ্রাপ্ত হয় তখনই আমরা রাগ করি।বুঝলি?"
তাঁর কাছ থেকে প্রতিনিয়ত আমরা শিখি কিভাবে জীবনে চলতে লাগে, কিভাবে "বাঁচার মতো বাঁচা" যায়। তিনি আমাদের প্রতিমুহূর্তেই শিখিয়ে চলেছেন।
সকলে ভালো থাকেন, জয়গুরু।
©ArkaSamant