হরিচাঁদ ঠাকুর আছেন তার দর্শনে আদর্শে। যে তাঁর আদর্শ গুলো প্রতিপালন করবে,
তখন তার ব্যবহার তার আচার আচরণ তার কর্মপদ্ধতি হরিচাঁদের অনুরূপ বলে প্রতিীয়মান হবে।
হরিচাঁদ ঠাকুর বলেছেন পিতা মাতাকে শ্রদ্ধা করতে।
বলি তোমার শাশুড়িকে মায়ের মত যত্ন করো। দেখবে সে পাল্টে যাবে। হরিচাঁদের মূর্তি পুজো দিলে প্রসাদ দিলে ঠিক হবে কৃষ্ণের মূর্তি বেঠিক এ কথাটা বোধ হয় যুক্তিসঙ্গত নয়।
মূর্তির মধ্যে শক্তি থাকলে হরিচাঁদ নিজেই তো পারেন তোমাকে স্বপ্ন না দেখিয়ে, তোমার শাশুড়িকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে।
আসলে বৈদিক ব্রাহ্মণ্য খাঁচায় বন্দি থেকে হরিচাঁদকে পাওয়া যাবে না।
রাম কৃষ্ণ চৈতন্য আর হরিচাঁদ যদি একই হয় তাহলে বিভেদ কেন?
প্রকৃতপক্ষে হরিচাঁদ প্রথাগত সকল ধর্মকে না মেনে বা অস্বীকার করে বা প্রত্যাখ্যান করে মানুষের সেবা যত্ন করার কথা বলেছেন।
জয় হরিচাঁদ জয় গুরুচাঁদ জয় মতুয়া।
Another Writing
বিজ্ঞানীরা যেটা প্রমাণ করেন সেটা অন্যকে দেখাতে পারেন। তবে কোন ধার্মিক নিজেরা দেখেন সেটা তিনি অন্যকে দেখাতে পারেন না প্রমাণ করতে পারেন না।
আমাদের মত মানুষের বিজ্ঞানের ধারণাটাও সীমিত। বিজ্ঞানী না জানাকে জানার জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যান। তিনি সফল হলে ভালো না হয়ত তার ছাত্র সাফল্য এনে দেন। একবিংশ শতাব্দীতে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত বিজ্ঞানের অবদান ছাড়া কিছুটি নেই।
ব্রাহ্মণের মন্ত্রে কাজ হয় না, মতুয়াদের মন্ত্রে কাজ হয়। এ ধারণাটা ঠিক নয়। মন্ত্রে কাজ না হলে কোন মন্ত্রে হয় না।
তাই শ্রীশ্রীহরিলামৃত গ্রন্থে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেছেন রসরাজ তারকচন্দ্র সরকার---
"পূর্বে ছিল মুনিগণ করিতেন ধ্যান।
এবে সেই ধ্যান হয় জ্ঞানেতে বিজ্ঞান।।"
©ArkaSamant
A