আজ শ্রদ্ধেয় হরিপ্রসাদ জ্যেঠু, তার লেখা বিদ্রোহী মহামানব হরিচাঁদ বইটি আমাকে বাই পোষ্টের মাধ্যমে আশীর্বাদ স্বরূপ পাঠালেন। আমি অবাক হয়ে গিয়েছি যে আমার নামে কি বই আসলো পরে দেখি জ্যেঠুর পাঠানো বই। বইটির সূচিপত্র পড়ে যেটুকু বুঝলাম শ্রী শ্রী হরি লীলামৃতের প্রত্যেকটি পয়ার তিনি পড়ে তার সারাংশটুকু গদ্ম ছন্দে লিখেছেন তার মনের ভাব ব্যক্ত করেছেন।এছাড়াও গুরুচাঁদ ঠাকুর এর অনেক লীলা রয়েছে। অবশ্যই বইটি আমাকে অনেক সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করবে, বইটি পড়ে আপনাদেরকে আমি জানাবো আমার অভিজ্ঞতার কথা। জ্যেঠু খুবই বাস্তবিক মানুষ তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করবো না তিনি এই বয়সেও ঠাকুরের নাম প্রচারের জন্য চলতে পারেন না ঠিক করে কিন্তু বাড়িতে বসেই কম্পিউটারের মাধ্যমে প্রিন্টিং এডিটিং নিজে করেন । অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। জ্যেঠুর প্রতি রইলো আমার বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রণাম , ঠাকুর অনাকে দীর্ঘায়ু প্রদান করুন তিনি যেন আমাদেরকে আরো কিছু দিয়ে যেতে পারেন🙏🚩
হরিচাঁদ ঠাকুরকে মহামানব বলে ছোটো করা হয়। ওরকম মহামানবদের জন্মদাতা আমার হরি গুরুচাঁদ 🙏🚩
Another Writing.
এপার বাংলা ওপার বাংলা খ্যাত কবিয়াল শ্রদ্ধেয় উত্তম সরকার মহাশয়ের একটিমাত্র মেয়ের বিবাহ সম্পন্ন হল ব্রাহ্মণ বর্জিত মতুয়া মতে। এই শুভ অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। বহু প্রাণপ্রিয় মানুষের সমাগম হয়েছিল সেখানে। নব দম্পতিকে আপনারা সকলে আশীর্বাদ করবেন।। 🙏
রাজা যদি হতে চাও ধরো রাজ ভাব
ভাবের সহিত আসে রাজার স্বভাব ।
লজ্জাবটে নারী পক্ষে একটিভূষণ
অনর্থক লজ্জা কিন্তু নিন্দার কারণ
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর 🙏
Another Writing
আজ প্রিয় বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শতবর্ষ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংগ্রামী মহামানবকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ ভক্তিপূর্ণ প্রণাম । যিনি এই ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে রাজা রামমোহন রায়ের সাথে ব্রাহ্মসমাজ এর বিশিষ্ট সদস্য ছিলেন❤️🙏 ঠাকুর বাড়ির লোক এসব জাত পাত মানতেন না বলে সমাজ থেকে প্রায় এক ঘরে ছিলেন।। কাদম্বিনী ঠাকুরের সুইসাইড নোট থেকে যেটা পাওয়া যায় যে ঠাকুরবাড়ির বিলাসবহুল জীবনযাপন থাকলেও সেই বাড়িতে কেউ সম্পর্ক করতে রাজি হতো না কারণ তারা ব্রাহ্মণ মুচি মেথর জাতপাত কিছুই মানতেন না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বোধহয় হরিগুরুচাঁদ ঠাকুর কে উপলক্ষ করেই লিখেছিলেন-
তবু নত করি আঁখি
দেখিবারে পাও নাকি
নেমেছে ধুলার তলে হীন পতিতের ভগবান 🙏
প্রাণের রবি ❤️
©ArkaSamant
A